বিশ্বজুড়ে বাংলা সংস্কৃতির প্রত্যয়ে ‘বাংলাদেশ কালচারাল সেন্টার’-এর আত্মপ্রকাশ


‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : ‎বাংলার হাজার বছরের আবহমান সংস্কৃতি ও প্রাণবন্ত সাহিত্যের অমল ধারাকে বিশ্বদরবারে প্রজ্বলিত করার লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করলো ‘বাংলাদেশ কালচারাল সেন্টার’। আজ ২৫ এপ্রিল, ২০২৬ইং, শনিবার রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নাট্যশালা কনফারেন্স হলে আয়োজিত সভায় বাংলাদেশ কালচারাল সেন্টারের ‘ইন্টারন্যাশনাল আহবায়ক কমিটি’ গঠনের মাধ্যমে এই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়।

‎উক্ত সভায় উপস্থিত সুধীজন, সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা বলেন, বাঙালির কৃষ্টি ও ঐতিহ্যের মশালকে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়া এখন সময়ের দাবি। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই এই নতুন প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ।


‎অনুষ্ঠানে সর্বসম্মতিক্রমে একটি শক্তিশালী আন্তর্জাতিক আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটিতে আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী, সদস্য সচিব হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন রফিকুল ইসলাম ও যুগ্ম সদস্য সচিব শফিউল আলম বাবু এবং সংগঠনের কার্যক্রমকে গতিশীল করতে প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন সাজেদুর রহমান মুনিম।

‎কমিটির অন্যান্য পদে রয়েছেন যুগ্ম-আহবায়ক ফাতেমা তুজ জোহরা ও নিলুফার ওয়াহিদ পাপড়ি, কালচারাল কো-অর্ডিনেটর রোকসানা আখতার রিনি এবং ইন্টারন্যাশনাল কো-অর্ডিনেশন কো-অর্ডিনেটর নাজমুল খান।

‎বিভাগীয় কো-অর্ডিনেটর হিসেবে রয়েছেন, খুলনা- এনামুল হক বাচ্চু, বরিশাল – মীর সাব্বির হোসেন শামীম, সিলেট- নীলাঞ্জনা জুই, চট্টগ্রাম-স্বপন বড়ুয়া, রাজশাহী- মাহবুবুর রহমান সোহাগ, ময়মনসিংহ- মানস তালুকদার, রংপুর-রফিকুল ইসলাম রইস, রাঙ্গামাটি- সুফলাতনচঙ্গা, খাগড়াছড়ি-ডচিংনু মার্মা এবং বান্দরবান- প্রাণ গোপাল সরকার।


‎এছাড়াও আগামী ৯০ (নব্বই) কার্যদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশ কালচারাল সেন্টারের রূপরেখা ঘোষণা করা হবে বলে সভায় জানানো হয়।

‎সভায় নজরুল সংগীত বিশেষজ্ঞ ফাতেমা তুজ জোহরা, ফোবানা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বাংলাদেশ সোসাইটি (এসসি) এর সভাপতি আবু জুবায়ের দারা এবং গুনীজন ব্যক্তিত্বরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, নবগঠিত এই কমিটি প্রবাসে নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা ভাষা ও কৃষ্টি তুলে ধরতে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের শিল্প-সাহিত্যকে ব্র্যান্ডিং করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। সভা শেষে অতিথি আপ্যায়নের মাধ্যমে আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *