স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা–১৮ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন বলেছেন, জনগণের আন্তরিকতা ও সদিচ্ছার কারণেই নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বলেন, “জনগণ চাইলে সবকিছু সম্ভব। এই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটিয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, এলাকার সিনিয়র সিটিজেনদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতিটি মানুষের নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা হবে। নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। “কোনো মানুষ আমাদের সেবা থেকে বঞ্চিত থাকবে না। ঢাকা–১৮ আসনকে একটি মডেল টাউন হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ধীরে ধীরে মাদক, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাং নির্মূল করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, অন্তর্বর্তী সরকার চাঁদাবাজি অনেকটাই কমিয়ে এনেছে, তবে নির্বাচিত সরকার না থাকায় পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হয়নি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, আগামীতে জনগণের সহযোগিতায় সব ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধ করা হবে।
বিজয়ের পেছনে দলীয় নেতৃত্বের অবদান উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া–র প্রতি মানুষের ভালোবাসা থেকেই এ ভূমিধস বিজয় সম্ভব হয়েছে। আজকের এই বিজয় বেগম খালেদা জিয়ার বিজয়। তাকে সম্মান করেই মানুষ ধানের শীষে ভোট দিয়েছে।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রসঙ্গে জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রায় সকল প্রার্থীই তার বাসায় সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। “বিচ্ছিন্ন সমাজকে আমরা সকলের সহযোগিতা ও পরামর্শ নিয়ে একসঙ্গে এগিয়ে নিতে চাই। তিনি বলেন, সবাইকে সঙ্গে নিয়েই উন্নয়নের শিখরে পৌঁছাতে চাই।
নিজের নাম ব্যবহার করে কোনো ধরনের দুর্নীতি বা চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথাও জানান তিনি। বলেন, “আমার নাম ব্যবহার করে কেউ দুর্নীতি বা চাঁদাবাজি করলে তাকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, এমন কোনো অসংগতি পেলে আমাকে সঙ্গে সঙ্গে জানাবেন। আমি আইনগত ব্যবস্থা নেব।
তিনি এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আপনারা সচেতন হোন, প্রতিবাদী হোন। নিজের স্বার্থে কেউ আমার নাম বিক্রি করবেন না, কাউকে নাম বিক্রি করতে দেবেন না।”
2026-02-14

